Floating Facebook Widget

ইতালিতে একদিনে মারা গেছেন নয়শো'র বেশি মানুষ - Deshi News

২৮ মার্চ ২০২০,শনিবার,দেশীনিউজইতালিতে করোনাভাইরাসে একদিনে রেকর্ড ৯১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ইতালিতে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯,১৩৪ জনে।

ইউরোপের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশ ইতালিতে প্রায় সবকিছু বন্ধ রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে মানুষকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার ইতালির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে চলাফেরা এবং স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা তেশরা এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস ঘেব্রেয়েসাস কিছুদিন আগে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা উপকরণের 'বৈশ্বিক ঘাটতি' দেখা দিতে পারে।

যা হবে জীবন বাঁচানোর সক্ষমতার ক্ষেত্রে 'সবচেয়ে ভয়াবহ হুমকি'গুলোর একটি।

ইতালি থেকে সবশেষ কী জানা যাচ্ছে?
ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা লোমবার্দিতে, যেটি দেশটির সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা, এই লোমবার্দিতে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে।

যদিও বৃহস্পতিবার মৃত্যুর সংখ্যা আগেরদিনের চেয়ে কমে যাওয়ায় আশা করা হচ্ছিল যে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আসা শুরু হয়েছে।

ইতালিতে নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৫,৯৫৯ জনের মধ্যে।

দেশটির অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আশঙ্কা আরও বাড়ছে।

নেপলসের কাছের বৃহস্পতিবার ক্যাম্পানিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ভিনসেনজো ডে লুকা বলেন কেন্দ্রীয় সরকার ভেন্টিলেটরসহ গুরুত্বপূর্ণ জীবন রক্ষাকারী উপাদান সরবরাহ করার আশ্বাস দিলেও তারা এখনও তা দেয়নি।

কর্তৃপক্ষ বলছে ইতালির লকডাউন দীর্ঘায়িত হতে পারে
তিনি জানান, "দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি লোমবার্দির মত হতে পারে বলে এই মুহূর্তে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।"

সেদিনই ইতালির প্রেসিডেন্ট গুইসেপ্পে কন্টে মন্তব্য করেন যে, পুরো ইউরোপই অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে দিয়ে যেতে পারে।

দ্বিতীয় দফায় ইতালির অর্থনীতিতে আড়াই হাজার কোটি ইউরো তহবিল ঘোষণা করেন তিনি।

ইতালির পরিস্থিতি এখন এমন হয়েছে যে, প্রতিদিনই যেন একটি গ্রামের লোকসংখ্যার সমান মানুষ মারা যাচ্ছে সেখানে।

গত ২৪ ঘন্টায় শুধু লোমবার্দি অঞ্চলেই ৫৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে আশার আলো দেখা প্রায় অসম্ভব হলেও ইতালির গত কয়েকদিনের সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও আশাবাদী করছে দেশের মানুষকে। গত কয়েকদিন ধরে সংক্রমণের হার কিছুটা কমের দিকে।

দেশীনিউজ/এমআই

বিশ্ব সংবাদ