Floating Facebook Widget

মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতায় শিক্ষার্থীর আকুতি - Deshi News

১৭ মার্চ ২০১৯,রবিবার,দেশীনিউজ: লেখার কথা প্রশ্নের উত্তর। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখতে গিয়ে শিক্ষকরা যা দেখলেন, তা হাসির খোরাকও বটে। আবার কেউ ভাবছেন, পাশ করাবেন কীভাবে? উত্তরপত্রে কেউ লিখেছে, স্যার দয়া করে পাশ করিয়ে দিন, নইলে বাড়ি থেকে বের করে দেবে।


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এমন ঘটনায় কেউ আবার উত্তরপত্রে মোবাইল নম্বর লিখে রেখেছেন। কোনও পরীক্ষার্থী প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু তা ভুল তো বটেই, খুবই হাস্যকর। কারও হাতের লেখা একেবারে বাজে। পরিক্ষার্থী কি লিখেছে তা বুঝার উপায় নেই। এসব দেখে পরীক্ষকের মাথায় হাত।খাতায় এমন লেখা দেখে অবাকই হয়েছেন পরীক্ষক। তবে আরও বেশি অবাক হয়েছেন ইংরেজিতে তার প্লিজ বানান লেখা দেখে। PLEASE এর পরিবর্তে সে লিখেছে Pizz।

পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিকে চলতি নিয়ম অনুসারে, মাধ্যমিকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০ এর মধ্যে মোট ২৫ পেলেই পাশ। আবার এই ১০০-র মধ্যে ১০ নম্বর থাকে প্রজেক্টে। বাকি ৯০ নম্বরের উত্তর লিখতে হয়। অধিকাংশ স্কুলেই প্রজেক্টের জন্য ১০-এ ১০ পাওয়া যায়৷ কাজেই বাকি ৯০ এর মধ্যে মাত্র ১৫ নম্বর পেলেই পাশ করতে পারেন যে কোনও পরীক্ষার্থী। এখন এই ১৫ নম্বরই বা কীভাবে দেওয়া হবে, সেটাই ভাবছেন পরীক্ষকরা।

তারা জানাচ্ছেন, কাউকে টেনেটুনে ১৩ নম্বর পর্যন্ত দেওয়া যাচ্ছে, তার বেশি নয়। এদিকে, ফলপ্রকাশের তাড়াও আছে। ২২ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ৯০দিনের মধ্যে ফলপ্রকাশ করতে হলে ২২ মে’র মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা। ফলে চাপ বাড়ছে খাতাগুলো দ্রুত দেখে ফেরত দেওয়ার। সবমিলিয়ে চূড়ান্ত নাজেহাল দশা শিক্ষকদের। তবে এরই মধ্যে একজনের আবেদন কাজ করেছে। যিনি লিখেছিলেন যে মাধ্যমিক পাশ না করলে, বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হবে, তিনি কোনও ক্রমে পাশ করেছে বলে জানা গেছে। কিন্তু এসবের পরও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা, মাধ্যমিক পরীক্ষার এই বেহাল দশা রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে।

দেশীনিউজ/পার্স টুডে


অন্যান্য খবর