Floating Facebook Widget

আজ থেকে শুরু হচ্ছে তাবলীগ ইজতেমা - Deshi News

১৫ ফেব্রুয়ারী  ২০১৯শুক্রবার,দেশীনিউজ: আজ থেকে টানা ৪ দিনের দুই ভাগে বিশ^ ইজতেমা শুরু হচ্ছে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে। প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানী ঢাকা থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তরে তাবলীগ জামাতের এ বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে। ইজতেমা অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় এক বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। 

ইজতেমা মাঠ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠানের জন্য। ইজতেমা মাঠের প্রস্তুতি কাজ শেষ হওয়ার পর স্থানীয় এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি মুরুব্বীদের নিয়ে ইজতেমা মাঠ পরিদর্শন করেন। মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশে যে কোন মূল্যে টঙ্গীর বিশ^ ইজতেমা হতে হবে। 

আমাদের প্রধান উদ্দেশ্যটা হলো বিশ^ ইজতেমা ভাগে ভাগে না, একত্রে একসাথে হতে হবে এবং এক সাথে করার নিয়তও করেছি আল্লাহপাকের কাছে একসাথে ইজতেমা করার জন্য। আল্লাহর রহমত এক সাথে করতে অনেক বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে আমরা একত্রিত হওয়াটা অভিপ্রায়। তাবলীগ জামাতের মতো এতো বড় একটি সম্মেলন এত সুন্দর ডিসিপ্লিন পৃথিবীর আর কোথাও নেই। আল্লাহ ও আল্লাহুর রাসূলকে খুশি করার জন্য প্রতি বছর এ বিশ^ ইজতেমা হয়ে থাকে, এবারও হবে। এটা কোন ব্যক্তি সমাবেশ না, কারো দরকার, কারো দরকার না। 

বিশেষ করে কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ তাবলীগ হয়ে থাকে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এব্যাপারে অত্যন্ত উৎসাহিত, অত্যন্ত অনুপ্রাণিত, আগ্রহচিত্ত এবং আমরা যারা ইসলামী সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছি যে, আপনার সকলে মিলে মুসলমানদের মধ্যে হানাহানি এটা তাদের বন্ধ করতে হবে। এটা দেখতে চাই না। বিশ^ ইজতেমা বাংলাদেশের জন্য সমগ্র মুসলীম উম্মার কাছে এক বিরাট ঐতিহ্যবাহী। এটা অত্যন্ত কঠিন ভালো জায়গা, এই জায়গাটার সুনাম নষ্ট করা যাবে না। এ বিশ^ ইজতেমাকে দেশের পরিচয়ের চেয়েও বড় সুনাম হয়ে থাকে টঙ্গীর এই বিশ^ ইজতেমাটা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এই বিশ^ ইজতেমার জায়গা দিয়েছিল। এবার যদি এই বিশ^ ইজতেমাটা বন্ধ হয়ে যেতে তাহলে তার আত্মা কষ্ট পেতো। 

ইজতেমা অনুষ্ঠানের জন্য টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ইজতেমা পরিদর্শনকালে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এসব কথা বলেন। এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি ইজতেমা ময়দানে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর মেট্রো পুলিশ কমিশনার ওয়াইএম বেলালুর রহমান, ধর্ম সচিব আনিসুর রহমান, ৫৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আবুল হাসেম, বিল্লাল মোল্লা প্রমুখ। 

ইজতেমা ময়দানে মুসল্লীদের স্বাস্থ্য সেবায় রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হামদর্দ, ইবনে সিনা, র‌্যাব, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, যমুনা ব্যাংক, ইসলামিক মিশনসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থা। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, তাবলীগ জামাতের দু’পক্ষের মুরুব্বীদের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল তা নিরসন করে একটানা ৪ দিনের বিশ^ ইজতেমা অনুষ্ঠানের সক্ষম হয়েছি। 

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দলে দলে মুসল্লীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন। আ’ম বয়ানের মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার সকাল থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিশ্ব ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হবে। মাত্র ৭ দিনের আয়োজনে বিশ্ব ইজতেমা মাঠের প্রস্তুতি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও গাজীপুর মেট্রো পুলিশ কমিশনার ওয়াইএম বেলালুর রহমানের সহযোগিতায় স্থানীয় এমপি জাহিদ আহসান রাসেলের নেতৃত্বে ইজতেমা মাঠের বিশাল এ আয়োজন মাত্র ৭ দিনের মাথায় সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। এর সাথে পুরোপুরি সহযোগিতায় ছিলেন তাবলীগ জামাতের যোবায়ের পন্থী তাবলীগ অনুসারী মুসল্লীরা। একটানা ৪ দিন ব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা হলেও দু’গ্রুপের ভাগে থাকছে দু’দিন করে বিশ্ব ইজতেমার নিয়ন্ত্রণ। 

প্রথম ভাগে থাকছে যোবায়ের পন্থী তাবলীগ অনুসারী মুসল্লীদের নিয়ন্ত্রণে। দ্বিতীয় দু’দিন  থাকছে সা’দ পন্থী ওয়াসেকুল ইসলামের নেতৃত্বে। এবারের ইজতেমায় আখেরী মোনাজাত থাকছে দু’বার। প্রথম বার আখেরী মোনাজাত হবে শনিবার আছর নামাজের পর। দ্বিতীয় আখেরী মোনাজাত হবে সোমবার আছর নামাজের পর। ইজতেমার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দু’গ্রুপের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দিলে গত জানুয়ারী মাসে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষের ঘটনায় ইজতেমা অনুষ্ঠান স্থগিত হয়ে যায়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মুসল্লী নিহত ও ৫ শতাধিক মুসল্লী গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে সরকার প্রধান শেখ হাসিনার বিশেষ আগ্রহে স্থানীয় এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ এমপির নেতৃত্বে দু’পক্ষকে এক সাথে এনে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের কার্যক্রম শুরু করেন। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও বিআরটিসি মুসল্লীদের আনা-নেয়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইজতেমা মাঠের সংস্কার কাজ এবং সেবামূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করেছে। বিশ^ ইজতেমার সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং এর জন্য ইজতেমা মাঠে ৫ টি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপির কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের ১৫ টি ওয়াচ টাওয়ার, র‌্যাবের ১০ টি ওয়াচ টাওয়ার, মুসল্লীদের জন্য ৩৫০ টি অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, ওযু, গোসল, পয়:নিষ্কাশন ও সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ১৩ টি গভীর নলকূপ থেকে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিদিন ৩ কোটি ৫৪ লক্ষ গ্যালন সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে। এছাড়া রয়েছে আকাশ ও নৌ-পথে পুলিশ, র‌্যাবের নিয়মিত টহল। নিরাপত্তা চাঁদরে ঘিরে ফেলা হয়েছে টঙ্গী শিল্পনগরী পুরো শহরটিকে।

গাজীপুর-ঢাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে 

ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা

গাজীপুর তথ্য অফিসের জেলা তথ্য অফিসার এম এম রাহাত হাসনাত এক প্রেস রিলিজে জানিয়েছেন, ইজতেমা চলাকালীন টাঙ্গাইল রোড হয়ে আগত মুসল্লীদের বহনকারী যানবাহন জয়দেবপুর থানাধীন ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ মাঠে অবস্থান করবে। ময়মনসিংহ হয়ে আগত মুসল্লীদের বহনকারী যানবাহন চান্দনা চৌরাস্তা হাইস্কুল মাঠে অবস্থান করবে। মিরের বাজার রাস্তা হয়ে আগত মুসল্লীদের বহনকারী যানবাহন মীরের বাজার মাঠে মীরের বাজার চৌরাস্তা হতে তিনশ ফিট রেল লাইন ক্রসিং এর আগে অবস্থান করবে। সকল সরকারি যানবাহন আনারকলি সিনেমা হল টঙ্গী, শহীদ আহসাউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামের বিপরীতে, টঙ্গীস্থ কাদেরিয়া টেক্সটাইল মিল কম্পাউন্ড, টেলিফোন শিল্প সংস্থা, টঙ্গী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গণ এবং টঙ্গী সরকারি কলেজ মাঠে অবস্থান করবে। আখেরী মোনাজাতে অংশগ্রহণকারী সকল ভিভিআইপি/ভিআইপিগণ আব্দুল্লাহপুর হতে কামারপাড়া ব্রীজ হয়ে বিশ^ ইজতেমার প্রথম গেটে প্রবেশ করবে। 

এছাড়াও আখেরী মোনাজাতের সময় জরুরী প্রয়োজনে গাজীপুর হতে ঢাকা অভিমুখে গমনের জন্য ভোগড়া মোড় গাজীপুর হতে মীরের বাজার হয়ে ঢাকা রোড ব্যবহার করা যাবে। বিভিন্ন জেলা সমূহ হতে ঢাকাগামী যানবাহন বাসন থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তা হতে টঙ্গী হয়ে ডিএমপি এলাকায় প্রবেশের পরিবর্তে চৌরাস্তা, কোনাবাড়ী, চন্দ্রা, বাইপাইল, নবীনগর, আমিন বাজার হয়ে চলাচলের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

অপরদিকে টঙ্গীর বিশ^ ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের যাতায়াত নিবিঘ্ন করতে ঢাকা-মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাদের এক প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম পর্বে এবং ১৭ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্বে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ও দেশের অভ্যন্তরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষ বিশ্ব ইজতেমা প্রান্তরে সমবেত হবেন। এ বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিবিঘ্ন করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য কিছু স্থান নির্ধারণ করেছে ।

গাড়ি পার্কিং সংক্রান্ত তথ্যাদি

১। রেইনবো ক্রসিং থেকে আব্দুল্লাহপুর হয়ে ধউর ব্রিজ পর্যন্ত এবং রামপুরা ব্রিজ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত রাস্তা ও রাস্তার পার্শ্বে কোনো যানবাহন পার্কিং করা যাবে না ।

২। ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের যানবাহনসমূহ নিম্নবর্ণিত স্থানসমূহে (বিভাগ অনুযায়ী) যথাযথভাবে পার্কিং করবেন।

ক) চট্টগ্রাম বিভাগ পার্কিং: গাউসুল আজম অ্যাভিনিউ (১৩ নম্বর সেক্টর রোডের পূর্ব প্রান্ত হতে পশ্চিম প্রান্ত হয়ে গরিবে নেওয়াজ রোড) ।

খ) ঢাকা বিভাগ পার্কিং: সোনারগাঁও জনপথ চৌরাস্তা হতে দিয়াবাড়ি খালপাড় পর্যন্ত।

গ) সিলেট বিভাগ পার্কিং: উত্তরার ১৫ নম্বর সেক্টর খালপাড় হতে দিয়াবাড়ি গোলচত্বর পর্যন্ত।

ঘ) খুলনা বিভাগ পার্কিং: উত্তরার ১৭ ও ১৮ নম্বর সেক্টরের খালি জায়গা (প্রধান সড়কসহ) ।

ঙ) রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ পার্কিং: প্রত্যাশা হাউজিং ।

চ) বরিশাল বিভাগ পার্কিং: ধউর ব্রিজ ক্রসিং সংলগ্ন বিআইডবি¬উটিএ ল্যান্ডিং স্টেশন ।

ছ) ঢাকা মহানগর পার্কিং: উত্তরার শাহজালাল অ্যাভিনিউ, নিকুঞ্জ-১ এবং নিকুঞ্জ-২ এর আশপাশের খালি জায়গা ।

৩। নির্ধারিত পার্কিং স্থানে মুসলি¬দের যানবাহন পার্কিংয়ের সময় অবশ্যই গাড়ির চালক/হেলপার গাড়িতে অবস্থান করবেন এবং মালিক ও চালক একে অপরের মোবাইল নম্বর নিয়ে রাখবেন, যাতে বিশেষ প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা যায় ।

ডাইভারশন সংক্রান্ত তথ্যাদি

৪। ডাইভারশন পয়েন্টসমূহ (শুধুমাত্র শেষ মোনাজাতের দিন ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা থেকে)

মহাখালী ক্রসিং হোটেল রেডিসন গ্যাপ প্রগতি সরণি কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচে লুপ-২ ধউর ব্রিজ বেড়িবাঁধ সংলগ্ন উত্তরা ১৮নং সেক্টরের প্রবেশ মুখ।

৫। ডাইভারশন চলাকালীন

আশুলিয়া থেকে আব্দুল্লাহপুরগামী যানবাহনসমূহ আব্দুল্লাহপুর না এসে ধউর ব্রিজ ক্রসিং দিয়ে ডানে মোড় নিয়ে মিরপুর বেড়িবাঁধ দিয়ে চলাচল করবে।

মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে আব্দুল্লাহপুরগামী আন্তজেলা বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহন মহাখালী ক্রসিং-এ বামে মোড় নিয়ে বিজয় সরণি-গাবতলী দিয়ে চলাচল করবে ।

কাকলী, মিরপুর থেকে উত্তরাগামী বড় বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসমূহকে হোটেল রেডিসন গ্যাপে ডাইভারশন দেওয়া হবে। ওই সব যানবাহনসমূহকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য বলা হলো।

কাকলী, মিরপুর থেকে উত্তরাগামী প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজিসমূহকে নিকুঞ্জ-১ গেটের সামনে ডাইভারশন দেওয়া হবে। উলি¬খিত যানবাহনসমূহকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য বলা হলো।

প্রগতি সরণি থেকে আব্দুল্লাহপুরগামী যানবাহনসমূহ কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচে লুপ-২ এ ডাইভারশন দেওয়া হবে।উল্লিখিত যানবাহনসমূহকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের জন্য বলা হলো।

বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের দিন অর্থাৎ ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ১৮ ফেব্রুয়ারি বিমান অপারেশনস ও বিমান ক্রু বহনকারী যানবাহন, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স বিমান বন্দর সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করতে পারবে। এগুলো ছাড়া সব যানবাহনের চালকদের বিমানবন্দর সড়কের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে মহাখালী, বিজয় সরণি হয়ে মিরপুর-গাবতলী সড়ক ব্যবহার করতে অনুরোধ করা হলো ।

১৬ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা থেকে বিদেশগামী বা বিদেশ ফেরত যাত্রীদের নিকুঞ্জ-১ থেকে বিমানবন্দরে আনা-নেওয়ার জন্য ট্রাফিক উত্তর বিভাগের ব্যবস্থাপনায় দুটি মিনিবাস ও দুটি মাইক্রোবাস ফ্রি পরিবহন সেবার জন্য নিকুঞ্জ-১ আবাসিক এলাকার গেটে মোতায়েন থাকবে।

ট্রাফিক সম্পর্কিত যেকোনো তথ্যের জন্য প্রয়োজনে সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (উত্তরা ট্রাফিক জোন ০১৭১৩-৩৯৮৪৯৮) অথবা টিআই (উত্তরা ট্রাফিক জোন ০১৯১২-০২৫৯৩৯) নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ইজতেমায় আসা দুই মুসল্লীর মৃত্যু

টঙ্গী বিশ^ ইজতেমায় আসা আগত দুই মুসল্লীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান একজন বুধবার মারা যান অপরজন। এরা হচ্ছেন-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজ্জাক জব্বার (৪২) ও নাটোর জেলার মোহাম্মদ আলী (৫৫)। বৃহস্পতিবার জানাজা শেষে এদের লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইজতেমা আয়োজক কমিটি।

দেশীনিউজ/শহিদ উল্লাহ বাবলু

ইসলাম