Floating Facebook Widget

বদলি আতঙ্কে সরকারি কর্মকর্তারা - Deshi News

১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, রবিবারদেশীনিউজ: প্রশাসনে নতুন সরকারের মন্ত্রীদের নিয়ে ভীতিতে আছেন দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারীরা। এক শ্রেণির দুর্নীতিগ্রস্ত সচিব, দফতর প্রধান, ও মাঠ কর্মকর্তা বদলি আতঙ্কে রয়েছেন বলে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নতুন সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়গুলোকে এবার দুর্নীতিমুক্ত রাখতে স্বচ্ছ ও সৎ ভাবমূর্তির মন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছে। মন্ত্রীদের সিংহভাগই নবীন ও সৎ। এ কারণে মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরগুলোতে একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অস্বস্তিতে রয়েছেন। তারা নিজ নিজ দফতর ধরে রাখতে চাচ্ছেন। আবার নতুন মন্ত্রীরাও নেতিবাচক ভাবমূর্তির সচিবসহ দফতর প্রধানদের সরাতে চাচ্ছেন।

সচিবালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজউক ভবনে কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশ্য অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। বলেছেন, হয়রানি, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পেলে কারো কোনো ছাড় নেই। প্রধানমন্ত্রী এসব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের নির্দেশনা দিয়েছেন। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানে তা অক্ষরে অক্ষরে পালিত হবে। মন্ত্রীর ওই মতবিনিময়ের পর সচিব ও রাজউক চেয়ারম্যান ভীতির মধ্যে পড়েছেন। এই দুই কর্মকর্তা নানা আলোচনার মধ্যে রয়েছেন। যে কোনো মুহূর্তে তাদের দফতর বদলসহ ওএসডি হতে পারেন বলে জানা গেছে।

সাধারণ মানুষের হয়রানি ও দুর্ভোগের আরেকটি জায়গা হলো ভ‚মি। ভ‚মিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী দায়িত্ব নেয়ার পর পরই জন হয়রানি ও দুর্ভোগ লাঘবের পদক্ষেপ নিয়েছেন। কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা (ক্যাডার) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বিধায় তাদের হিসাব জমা দেয়ার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। যদিও ভ‚মিমন্ত্রীর কড়া পদক্ষেপে তটস্থ দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারীরা। এ ছাড়া দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ের মধ্যে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় একটি। সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহেদ মালিককে এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় পরিচালনায় এ মন্ত্রী অতীতে সততার স্বাক্ষর রেখেছেন। মন্ত্রণালয়ের একশ্রেণির দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা তাকে নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছেন বলে জানা গেছে।
শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম হয়রানি, ভোগান্তি ও দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ড. দীপু মনিকে এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। মন্ত্রী হিসেবে তার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে। এর ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কেন্দ্রিক দুর্নীতিগ্রস্ত সিন্ডিকেট এখন বেকায়দায়। চিহ্নিত এ চক্র এখন বদলি আতঙ্কে রয়েছে।

সরকারের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী হয়েছেন তাজুল ইসলাম। প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ থাকে এই মন্ত্রণালয়ে। এ বিশাল মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির চক্র আছে ধাপে ধাপে। সুষ্ঠুভাবে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করার দক্ষতা এই মন্ত্রীর রয়েছে। তবে এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে মানবকণ্ঠকে জানিয়েছেন, কিছু কিছু বিষয়ে বর্তমান সচিব মন্ত্রীকে ‘মিস গাইড’ করছেন। মন্ত্রী এসব বিষয় অবহিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল রোববার স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি সচিবকে কিছু বার্তা দিতে পারেন। তার দফতর বদল হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় রয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন সাবেক খাদ্য ও বর্তমান কৃষিমন্ত্রী কৃষিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক। দক্ষতা ও সততার পরিচয় এর আগে তিনি রেখেছেন।

এদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে গত ৭ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর দুই দিন পর থেকে দফতরে বসা শুরু করেন তারা। দফতরে বসার পর থেকেই মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থা বা দফতরপ্রধানরা ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানিয়ে নতুন মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন। এরই মধ্যে বেশিরভাগ মন্ত্রী তার অধীন দফতর-অধিদফতর পরিদর্শন শেষ করেছেন। অনেক মন্ত্রী নিজে উদ্যোগী হয়ে সংগ্রহ করেছেন রুলস অব বিজনেস বা এলোকেশন অব বিজনেস। এসব পড়ে নিজের কাজ ও অধীনস্থ দফতর সম্পর্কে ধারণা নিয়েছেন। তবে কাজ শুরু করতে গিয়েই অনেক মন্ত্রী হোঁচট খাচ্ছেন। তাই তারা চাইছেন আগের মন্ত্রীর পছন্দের দফতরপ্রধানকে সরিয়ে দিতে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা মানবকণ্ঠকে জানান, বেশিরভাগ মন্ত্রীই চান না আগের মন্ত্রীর দফতরপ্রধানকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে। তারা মনে করছেন, আগের মন্ত্রীর সঙ্গে সখ্য না থাকলে এসব কর্মকর্তা দীর্ঘদিন দফতরপ্রধান থাকতে পারতেন না। এসব কর্মকর্তা এখনো পূর্ববর্তী মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে বর্তমান মন্ত্রীদের ধারণা। মূলত এ কারণেই অনেকে বর্তমান দফতরপ্রধানকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন। আবার অনেক মন্ত্রী মনে করছেন, বর্তমান দফতরপ্রধান অদক্ষ। তাকে সরিয়ে নতুন দক্ষ দফতরপ্রধান নিতে চান তারা।

অন্যদিকে অনেক অধিদফতরে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান। এসব নিয়োগে হস্তক্ষেপ করার জন্যও মন্ত্রীরা দফতরপ্রধান বদলাতে চান। বর্তমানে বেশিরভাগ দফতরপ্রধানই ১৯৮৪ বা ’৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা। তারা চাকরি জীবনের শেষ সময়ে এসে সংশ্লিষ্ট দফতর থেকেই বিদায় নিতে চান। কারণ দফতর থেকে বিদায় না নিতে পারলে তাদের ওএসডি হিসেবে বিদায় নিতে হবে। একই সংকটে পড়েছেন প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে অন্য ক্যাডার কর্মকর্তারাও। সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসাদ্দিক আহমদ। বিমানকে সামনে থেকে নেতৃত্বদানকারী মোসাদ্দিকের ওপর সন্তুষ্ট নন নতুন বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এরই মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সম্পর্কে তিনি তার বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। এ মাসেই বিমান পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হবে। এর পরই সরিয়ে দেয়া হবে বর্তমান বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মহিবুল হক মানবকণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আরো কয়েকজন পরিচালক পদে পরিবর্তন আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বোর্ড পুনর্গঠনের পর ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আরো কয়েকজন পরিচালক নিয়োগ করা হবে।’

এ দিকে ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর চালের বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সীকে সঙ্গে নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরও অস্থিরতা ছিল বেশ কয়েক দিন। পাইকারিতে চালের দর কমলেও তার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়তে সময় লেগেছে। বিব্রতকর এই অবস্থা যাতে আর না হয় সে জন্য খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) আরিফুর রহমান অপুকে পদ থেকে সরিয়ে দিতে চান নতুন খাদ্যমন্ত্রী। এই প্রক্রিয়ায় ‘ইন্ধন দিচ্ছেন’ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্য একটি সংস্থাপ্রধান। খাদ্য অধিদফতরের ডিজিকে সরিয়ে দেয়ার নেপথ্যে জনবল নিয়োগের বিষয়টিও রয়েছে। গত বছর ১১ জুলাই খাদ্য অধিদফতর ২৪ ধরনের (ক্যাটাগরি) ১ হাজার ১৬৬ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এসব পদে চাকরি পেতে ১৩ লাখ ৭৮ হাজার আবেদন পড়েছে। অনিয়ম যাতে না হয় সে জন্য ডিজি প্রার্থী বাছাই করার দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম-এমআইএসকে দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের এক অংশ অধিদফতরের তত্ত¡াবধানে এ নিয়োগ সম্পন্ন করতে চায়। গত কয়েক বছর খাদ্য অধিদফতরের তত্ত¡াবধানে যেসব নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছে তার সবকটিতেই অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অনেক অভিযোগ নিয়ে হওয়া মামলার বিচার চলছে। ডিজি পরিবর্তনসহ এসব অনিয়মের বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি খাদ্য সচিব শাহাবুদ্দিন আহমদ।

বিভিন্ন দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে যেসব সামগ্রী প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শীত নিবারণে দরিদ্রদের মধ্যে প্রতিবছর যে কম্বল দরকার, সংগ্রহ রয়েছে তার পাঁচগুণেরও বেশি। বেশি কমিশনের আশায় সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত কম্বল কিনে গুদাম ভরে রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। অতিরিক্ত কেনাকাটার ওই দায় বর্তাতে পারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু সৈয়দ মোহাম্মদ হাশিমের ওপর।

শ্রম অধিদফতরের মহাপরিচালক শিবনাথ রায়কে সরকারি কলকারখানা পরিদর্শন অধিদফতরে পাঠানো হতে পারে। গত ৩ জানুয়ারি তিনি শ্রম অধিদফতরে যোগদান করলেও তাকে কলকারখানা অধিদফতরে পাঠানোর আভাস দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

অধীনস্থ দফতর-পরিদফতরে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। ২০০৯ সাল থেকে কৃষি মন্ত্রণালয় চালিয়েছেন মতিয়া চৌধুরী। আস্থার লোকদের দিয়েই তিনি দফতর চালিয়েছেন। বর্তমান কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক নিজে কৃষিবিদ হওয়ায় তিনি তার পছন্দ অনুযায়ী দফতর সাজাতে চান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. ফরিদউদ্দিনকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ২০১৬ সাল থেকে পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক থাকায় ড. মো. মনজুরুল আলমকে এ পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাজাহান কবীরকেও সরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলমান। তিনি ২০১৭ সাল থেকে ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক পদে রয়েছেন। একই ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন।

বরেন্দ্র বহুমুখী কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক পদে ২০১৫ সাল থেকে রয়েছেন মো. আবদুর রশিদ। এক পদে এত দীর্ঘ সময় থাকায় তাকেও সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. আকরাম হোসেন চৌধুরীও ঝুঁকিতে রয়েছেন। পরিবর্তন আসতে পারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ও কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে। এ ছাড়া মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, হার্টিকালচার এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি, কৃষি বিপণন অধিদফতর ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

দেশীনিউজ/আবদুল মোতালেব মজুমদার/করসপনডেন্ট


অফিস আদালত