Floating Facebook Widget

নতুন প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ - Deshi News

১১ অক্টোবর ২০১৭,বুধবার,দেশীনিউজটেস্টের পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকায় সিমিত ওভারের ক্রিকেটে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। টেস্ট সিরিজে ২-০ জয়ের পর এবার ওয়ানডেতেও বাংলাদেশকে চেপে ধরতে চাইবে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসান দক্ষিণ আফ্রিকায় যোগ দেয়ায় বাংলাদেশ দলের পরিবেশটাই যেন পাল্টে গেছে। দুঃস্বপ্ন ভুলে ওয়ানডেতে নতুন শুরুর দিকে তাকিয়ে অতিথিরা।


ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ওপর আরো বেশি চড়াও হওয়ার কথা দক্ষিণ আফ্রিকার। দু’দলের সব শেষ সিরিজেই যে বাংলাদেশ জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে। দেশের মাটিতে ফাফ দু প্লেসি, হাশিম আমলাদের তার প্রতিশোধ না নিতে চাওয়ার কোনো কারণ নেই।


দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফির প্রথম টার্গেট দলের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা। নিজের মতো করেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন ম্যাশ। সহ-অধিনায়ক সাকিবও এগিয়ে এসেছেন। দুই হারের তেতো স্বাদ ভুলে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ।


ম্যানগাউং ওভালে মাশরাফি, সাকিব, নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন প্রথমবারের মতো অনুশীলন করেন। সঙ্গে ছিলেন অনুজ্জ্বল বোলিংয়ের জন্য দ্বিতীয় টেস্টে বাদ পড়া অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।


অনুশীলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের ম্যানেজার ও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন। তিনি জানান, ‘টেস্ট সিরিজ ভুলে দলের ভাবনা এখন কেবল ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে। আমাদের প্রস্তুতি আজ থেকে শুরু হয়েছে। আমাদের ওয়ানডে অধিনায়ক চলে এসেছে। চারজন নতুন খেলোয়াড় দলে যোগ দিয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমরা ওয়ানডেতে অবশ্যই ভালো করব।’


বয়সভিত্তিক দলগুলোয় গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি : সুজন
জাতীয় দলের পাইপলাইন সমৃদ্ধ করতে বয়সভিত্তিক দলগুলোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে বোর্ড(বিসিবি)। আগামীর সাকিব-তামিমদের তুলে আনতে তাই নানা পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চায় বোর্ড। এমনটাই জানিয়েছেন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে দীর্ঘদিন পর ‘এ’ দলের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। যেটিকে জাতীয় দলের খেলার স্বপ্ন পূরণে ‘এ’ দলের ক্রিকেটারদের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন সুজন।


বাংলাদেশের ক্রিকেটের পঞ্চপান্ডবকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে বিশ্বমিডিয়ায়। সবাই দেশের হয়ে খেলছেন এক দশক পার হয়েছে। সাকিব, তামিম, মুশফিকরাও ইনজুরিতে পড়তে পারেন। বিশ্রামে যেতে পারেন যে কেউ। তখনই শুরু হয় আলোচনা, পারবে তো নতুনরা। সিনিয়রদের অনুপস্থিতিতে জুনিয়ররা সবসময় দিতে পারেননি আস্থার প্রতিদান।


তাই প্রশ্ন ওঠে, জাতীয় দলের পাইপলাইন কতটা সমৃদ্ধ? উত্তর দিয়েছেন বোর্ডের দায়িত্বে থাকা খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, ‘পাইপলাইনে নেই কোনো ঘাটতি। জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির মধ্যে বিশ্রামে নেই বয়সভিত্তিক দলগুলো। অনূর্ধ্ব ১৭ দলের সামনে আছে ভারত সফর। যুবারা খেলছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এইচপি খেলে এসেছে বিলেত থেকে। এবার আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল আসছে। দুইবছর পর গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।


মূলত হাই পারফরম্যান্স ইউনিট ও অনূর্ধ্ব ১৯ দলের ক্রিকেটারাই সুযোগ পেয়েছেন এ দলে। দলগুলো নিয়ে স্বপ্ন বুনছে বিসিবি। লাল সবুজের জার্সি গায়ে মাঠে নামার স্বপ্ন সাজান ক্রিকেটাররা। জাতীয় দলের সে স্বপ্ন পূরণে সুযোগ থাকছে বয়সভিত্তিক দলগুলোর খেলোয়াড়দের।’

দেশীনিউজ/গেয়াস উদ্দিন

খেলাধুলা