Floating Facebook Widget

নক-টেন ঘূর্ণিঝড় ফিলিপাইনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি - Deshi News

২৬ ডিসেম্বর ২০১৬,সোমবার,দেশীনিউজশক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় নক-টেন আজ সোমবার শেষ বেলায় ফিলিপাইনের জনবহুল রাজধানী ম্যানিলা ও এর আশপাশের এলাকায় আঘাত হানতে পারে। লোকজনকে এ ব্যাপারে সতর্ক করতে দেশটির সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছেন। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, গতকাল রোববার ঘূর্ণিঝড় নক-টেন দেশটির পূর্ব উপকূলে আঘাত হানার পর ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, উপকূলে এখন ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইছে। পূর্বসতর্কতা হিসেবে ওই উপকূল থেকে কয়েক হাজার লোককে আগেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতের কারণে অনেক জায়গায় বিদ্যুতের তার বিচ্ছিন্ন হয়েছে। অনেক এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়েছে। কিন্তু এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

খবরে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টি দেশটির প্রধান দ্বীপ লুজন অতিক্রম করে দক্ষিণ চীন সাগরের পাশ দিয়ে চলে যাবে।বেসামরিক প্রতিরক্ষা অফিস সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রচণ্ড বৃষ্টি এবং বৃষ্টিজনিত বন্যা হতে পারে।ফিলিপাইনের দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ কাউন্সিলের মুখপাত্র মিরাসিঙ্গা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘আমাদের স্থানীয় দুর্যোগ পরিষদের পক্ষ থেকে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে আমরা আগে থেকেই ত্রাণসামগ্রী জমা রেখেছি। উদ্ধারকারী দলও প্রস্তুত রয়েছে।’

নক-টেন ফিলিপাইনে নিনা নামে পরিচিত।

নক-টেন ফিলিপাইনের কাতানদুয়ানেস দ্বীপের কাছে গতকাল বিকেলে আঘাত হানার আশঙ্কায় ওই এলাকায় সর্বোচ্চ ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ব্যাপক বন্যা ও সম্ভাব্য ভূমিধসের ভয়ে ওই এলাকা থেকে আগেই প্রায় এক লাখ লোককে নিরাপদস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও অনেকে বাড়িতে ক্রিসমাস পালন করেছেন।নক-টেনের কারণে দেশটি কয়েকটি সমুদ্রবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ বছরের অক্টোবরে সুপার টাইফুন হাইমার আঘাতে ফিলিপাইনে অন্তত চারজন নিহত হয়। ২০১৩ সালে হাইয়ানের আঘাতে ৭ হাজার ৩৫০ লোক প্রাণ হারায় এবং দুই লাখ বাড়িঘর ধ্বংস হয়। হাইয়ান ছিল ফিলিপাইনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।

সম্পাদকীয়