Floating Facebook Widget

লাগামহীন বর্বরতার আরেক নাম পুলিশ - Deshi News

দেশীনিউজবিডি.কম,

১৭ জানুয়ারি ২০১৬ রবিবার,ঢাকাঃ পুলিশের মাধ্যমে নানা অপরাধের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশের সাধারণ নিরপরাধ মানুষ। পুলিশ যাকে ইচ্ছা যেভাবে পারছে আটক করছে এবং শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছে। সময়ের সাথে তাদের এই প্রবণতা শুধু বেড়েই চলেছে; যেন এর কোনো প্রতিকার নেই কিংবা কেউ থামানোর নেই। ঢাকা নগরীতে ক’দিন আগে ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী কোনো দোষ না করেও পুলিশের নির্যাতনের শিকার হলেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আবার গতকাল রাব্বি বলেছেন যে অভিযুক্ত এস আই কে কেন আইজি বা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বানানো হচ্ছে না, এর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুলিশের অমানবিক নির্যাতনের শিকার ঢাকা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা বিকাশ। অথচ তার নেই কোনো অপরাধ।


জানা গেছে, এবার সাদা পোশাকধারী পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এই কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা। গত পরশু ভোরে তিনি মোটরসাইকেলে তার কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সময় যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ তার মোটরসাইকেল থামিয়ে তাকে বেধড়ক পেটায়। মীরহাজিরবাগ এলাকায় এ ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। বিকাশচন্দ্র দাস গুরুতর আহত অবস্থায় রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পাওয়ায় তিনি এখন ঠিকমতো কথা পর্যন্ত বলতে পারছেন না। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ তাকে অমানবিকভাবে রাইফেলের বাঁট ও লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেছে।

মীরহাজিরবাগ খালের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় একদল সাদা পোশাকধারী পুলিশ তার মোটরসাইকেল থামানোর জন্য সঙ্কেত দেয়। বিকাশ মোটরসাইকেল থামিয়ে নিজের পরিচয় দিলেও এসআই আরশাদ হোসেন আকাশ ও এসআই মনোজ তাকে মারধর করেন। এমনকি তাকে ছিনতাইকারী বলে অচেতন অবস্থায় পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। এ খবর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা পুলিশভ্যানটি ঘেরাও করেন। অগত্যা পুলিশ তড়িঘড়ি করে তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অন্যায় ও অপরাধের অভিযোগের শেষ নেই। কিন্তু এসব অপরাধে পুলিশের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সাধারণত দেয়া হয় না। ফলে পুলিশ এ ক্ষেত্রে সময়ের সাথে সাথে আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অনেক সময় সাধারণ মানুষ এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হলেও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে প্রশ্রয় বা আনুকূল্যও পায় কোনো কোনো সময়। ফলে পুলিশের এ ধরনের অসংখ্য অপরাধের মধ্যে বিচারের মুখোমুখি হতে হয় মাত্র কয়েকটি ক্ষেত্রে। তাও আবার গণমাধ্যমে প্রবল সমালোচনার কারণেই তা সম্ভব হয়।
পুলিশবাহিনী বিবেচিত হয় মুখ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে। সেখানে এ বাহিনীর সদস্যরা যদি এ ধরনের জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়েন, তখন সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অপরাধ বেড়ে যেতে বাধ্য। তাই অবিলম্বে পুলিশের এই অপরাধপ্রবণতার লাগাম টেনে ধরতে হবে কঠোর হস্তে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সেই সাথে পুলিশ কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে যথাযথ দায়িত্ববোধের পরিচয় দেবেন।

আজ সকালে আমি যখন মাছ বাজারে গেলাম, দেখলাম লোকজন বলাবলি করছে মাছের রাজা ইলিশ আর দেশের রাজা পুলিশ। একটা কথা আমাদের দেশের সরকার প্রধান বা আম জনতাদের বোঝা দরকার যে, সরকার যখন তার ব্যাক্তিগত সার্থে প্রশাসনকে ব্যবহার করবে বা করতে চাইবে তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কে কিছু বলার অবস্থা থাকে না। তাই এখনি যদি
আইনশৃঙ্খলা লাগাম টেনে ধরা না হয় তাহলে অদূর ভবিৎষতে এর চরম মাসুল গুনতে হবে।
পুলিশের অবিবেচনাপ্রসূত নানা অপরাধের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশের সাধারণ নিরপরাধ মানুষ। পুলিশ যাকে ইচ্ছা যেভাবে পারছে আটক করছে এবং শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছে। সময়ের সাথে তাদের এই প্রবণতা শুধু বেড়েই চলেছে; যেন এর কোনো প্রতিকার নেই। ঢাকা নগরীতে ক’দিন আগে ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী কোনো দোষ না করেও পুলিশের নির্যাতনের শিকার হলেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুলিশের অমানবিক নির্যাতনের শিকার ঢাকা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা বিকাশ। অথচ তার নেই কোনো অপরাধ।
জানা গেছে, এবার সাদা পোশাকধারী পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এই কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা। গত পরশু ভোরে তিনি মোটরসাইকেলে তার কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সময় যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ তার মোটরসাইকেল থামিয়ে তাকে বেধড়ক পেটায়। মীরহাজিরবাগ এলাকায় এ ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। বিকাশচন্দ্র দাস গুরুতর আহত অবস্থায় রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পাওয়ায় তিনি এখন ঠিকমতো কথা পর্যন্ত বলতে পারছেন না। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ তাকে অমানবিকভাবে রাইফেলের বাঁট ও লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করেছে।
মীরহাজিরবাগ খালের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় একদল সাদা পোশাকধারী পুলিশ তার মোটরসাইকেল থামানোর জন্য সঙ্কেত দেয়। বিকাশ মোটরসাইকেল থামিয়ে নিজের পরিচয় দিলেও এসআই আরশাদ হোসেন আকাশ ও এসআই মনোজ তাকে মারধর করেন। এমনকি তাকে ছিনতাইকারী বলে অচেতন অবস্থায় পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। এ খবর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা পুলিশভ্যানটি ঘেরাও করেন। অগত্যা পুলিশ তড়িঘড়ি করে তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অন্যায় ও অপরাধের অভিযোগের শেষ নেই। কিন্তু এসব অপরাধে পুলিশের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সাধারণত দেয়া হয় না। ফলে পুলিশ এ ক্ষেত্রে সময়ের সাথে সাথে আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অনেক সময় সাধারণ মানুষ এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হলেও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে প্রশ্রয় বা আনুকূল্যও পায় কোনো কোনো সময়। ফলে পুলিশের এ ধরনের অসংখ্য অপরাধের মধ্যে বিচারের মুখোমুখি হতে হয় মাত্র কয়েকটি ক্ষেত্রে। তাও আবার গণমাধ্যমে প্রবল সমালোচনার কারণেই তা সম্ভব হয়।
পুলিশবাহিনী বিবেচিত হয় মুখ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে। সেখানে এ বাহিনীর সদস্যরা যদি এ ধরনের জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়েন, তখন সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অপরাধ বেড়ে যেতে বাধ্য। তাই অবিলম্বে পুলিশের এই অপরাধপ্রবণতার লাগাম টেনে ধরতে হবে কঠোর হস্তে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সেই সাথে পুলিশ কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে যথাযথ দায়িত্ববোধের পরিচয় দেবেন। - See more at: http:/www.dailynayadiganta.com/detail/news/85856#sthash.qfpYs1Ym.dpuf

সম্পাদকীয়